১০০ টাকা হাজিরার কাজেও বকেয়া ৩০ মাসেরও বেশী, অভিযোগ এমএএমসির জল সাপ্লাই কর্মীদের - Aaj Bikel
১০০ টাকা হাজিরার কাজেও বকেয়া ৩০ মাসেরও বেশী, অভিযোগ এমএএমসির জল সাপ্লাই কর্মীদের

১০০ টাকা হাজিরার কাজেও বকেয়া ৩০ মাসেরও বেশী, অভিযোগ এমএএমসির জল সাপ্লাই কর্মীদের

Share This


দুর্গাপুর : রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার চাকরী খুইয়ে রুজির টানে ১০০ টাকা দিনমজুরির কাজ জুটিয়েছিল। সেখানে আবার মজুরি নিয়ে টালবাহানা। ৩০ মাসেরও বেশী বকেয়া। বকেয়া মজুরির দাবীতে আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরনের চরম ক্ষোভ উগরে দিলেন দুর্গাপুর এমএএমসির ১৬ জন ওয়াটার সাপ্লাই কর্মী।

দুর্গাপুর পুরসভার ২৩ ও ২৪ নং ওয়ার্ড এমএএমসি টাউনশীপ। ২০০২ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত এমএএমসি কারখানা বন্ধের পর ওই টাউনশীপের দেখভালের দায়িত্ব পায় আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ(এডিডিএ)। তৎকালীন টাউনশীপে পানীয় জল সাপ্লাইয়ের জন্য এমএএমসির কর্মহীন ১৬ জন শ্রমিক নিয়োগ হয়। মূলত নলবাহিত জল পরিষেবার দেখভাল করার কাজ। দৈনিক ১০০ টাকা হাজিরা। 'নো ওয়ার্ক, নো পে'। অভিযোগ কাজ করেও মজুরি সময়ে জোটে না। বঞ্চিত জল সাপ্লাইকর্মীদের সুপারভাইজার(টেকনিকাল) শ্যামাপদ দত্ত জানান,"১০০ টাকা দিনমজুরি। সরকারি শ্রম আইন অনুযায়ী মজুরিটুকুও পায় না। কোন ছুটি নেই।

 তাও আবার মজুরি নিয়ে টালবাহানা। এডিডিএ অফিসারদের বিল জমা দেওয়া হলে গড়িমসি মনোভাব। ২০০৩ সালের জুলাই থেকে ২০০৫ সালের আগষ্ট পর্যন্ত ৩০ মাসের মাইনা বকেয়া। তারপর আবার সম্প্রতি গত ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে এখনও কোন মাইনা পাইনি।" তিনি আরও জানান," এডিডিএ অফিসে বহুবার আবেদন জানিয়েছি। কিন্তু দেখছি-দেখব ছাড়া কিছুই জোটেনি।" স্থানীয় তৃণমূলকর্মী দীপু বিশ্বাস জানান,"রুজির টানে স্বল্প হাজিরাতে কাজ, তাও টালবাহানা। পেটে গামছা বেঁধে ওদের কাজ করতে হয়। বহুবার এডিডিএতে আবেদন করা হয়েছে। কখনই সময়ে ওরা বেতন পায়নি।" যদিও এবিষয় এডিডিএর সিইওকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি কোন মন্তব্য করতে চায়নি। তবে এডিডিএর চেয়ারম্যন তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান," আগের ৩০ মাসের বকেয়ার বিষয়টি জানা নেই। তবে গত ৩ মাসের বকেয়া খুব শীঘ্রই মিটিয়ে দেওয়া হবে।"

কোন মন্তব্য নেই: