আজ বিকেল: এমনিতেই অলাভজনক পরিষেবা৷ তার উপর বিপুল ঋণের বোঝা৷ বাম সরকারের ঋণের দায়ে প্রতিমাসেই রাজ্যের কোষাগার থেকে খরচ হচ্ছে মোটা অংকের টাকা৷ আর তাতেই নাকি, রাজ্যে স্কুলগুলিতে পঠনপাঠনের খরচ জোগাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে৷ রাজ্যের স্কুলগুলির খরচ কেন্দ্র কিছুটা বহন না করলে স্কুলের দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন খোদ স্কুলশিক্ষা দফতরের কর্তারাই৷
স্কুলশিক্ষা দফতর দফতর সূত্রে খবর, স্কুলে পঠনপাঠনের খরচ জোগাতে কেন্দ্রের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়ে চিঠি পাঠাতে চলছে রাজ্য সরকার৷ প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের পঠনপাঠনের খরচ চাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷ চিঠিতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া পিছু বছরে কমপক্ষে ৯৬০ টাকা বরাদ্দের দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতা না পেলে স্কুলের দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে৷
রাজ্যে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন পুরোপুরি অবৈতনিক৷ কিন্তু, স্কুল চালাতে গিয়ে প্রচুর টাকা খবর হয়ে যাচ্ছে রাজ্যের৷ চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত টাকা নেওয়ার সংস্থান না থাকলেও পঞ্চম শ্রেণি থেকে প্রত্যেক পড়ুয়ার থেকে ২৪০ টাকা নেওয়া হয় নিয়ম রয়েছে৷ এক্ষেত্রেও টাকার পরিমাণ খুবই কম৷ জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে সর্বশিক্ষা খাতে প্রাথমিক স্কুলকে বছরে সাড়ে ১২ হাজার ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুলকে সাড়ে ১৪ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়৷ তার ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র৷ বাকি দেয় রাজ্য৷
পঠনপাঠন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতেই এই অর্থ বরাদ্দ হয়ে থাকে৷ কিন্তু এভাবে শুধু পঠনপাঠনে টাকা খরচ করলেই সমস্যা মিটছে না৷ ইদানীং নানা খাতে খরচ বাড়ছে স্কুলে৷ সিসি ক্যামেরা বসানো থেকে শুরু করে স্কুল রক্ষণাবেক্ষণের মতো পরিকাঠামো খাতের খরচও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে৷ ফলে, বর্ধিত খরচ জোগাতে গিয়ে কার্যত কালঘাম ছুটে যাচ্ছে স্কুল-কর্তৃপক্ষের৷ বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, খরচ বেড়ে চললেও স্কুলের আয় বাড়ানোর রাস্তা বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত বিপাকে পড়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর৷ সেই জন্যই কেন্দ্রের কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷
স্কুলশিক্ষা দফতর দফতর সূত্রে খবর, স্কুলে পঠনপাঠনের খরচ জোগাতে কেন্দ্রের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়ে চিঠি পাঠাতে চলছে রাজ্য সরকার৷ প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের পঠনপাঠনের খরচ চাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷ চিঠিতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া পিছু বছরে কমপক্ষে ৯৬০ টাকা বরাদ্দের দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতা না পেলে স্কুলের দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে৷
রাজ্যে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন পুরোপুরি অবৈতনিক৷ কিন্তু, স্কুল চালাতে গিয়ে প্রচুর টাকা খবর হয়ে যাচ্ছে রাজ্যের৷ চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত টাকা নেওয়ার সংস্থান না থাকলেও পঞ্চম শ্রেণি থেকে প্রত্যেক পড়ুয়ার থেকে ২৪০ টাকা নেওয়া হয় নিয়ম রয়েছে৷ এক্ষেত্রেও টাকার পরিমাণ খুবই কম৷ জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে সর্বশিক্ষা খাতে প্রাথমিক স্কুলকে বছরে সাড়ে ১২ হাজার ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুলকে সাড়ে ১৪ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়৷ তার ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র৷ বাকি দেয় রাজ্য৷
পঠনপাঠন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতেই এই অর্থ বরাদ্দ হয়ে থাকে৷ কিন্তু এভাবে শুধু পঠনপাঠনে টাকা খরচ করলেই সমস্যা মিটছে না৷ ইদানীং নানা খাতে খরচ বাড়ছে স্কুলে৷ সিসি ক্যামেরা বসানো থেকে শুরু করে স্কুল রক্ষণাবেক্ষণের মতো পরিকাঠামো খাতের খরচও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে৷ ফলে, বর্ধিত খরচ জোগাতে গিয়ে কার্যত কালঘাম ছুটে যাচ্ছে স্কুল-কর্তৃপক্ষের৷ বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, খরচ বেড়ে চললেও স্কুলের আয় বাড়ানোর রাস্তা বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত বিপাকে পড়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর৷ সেই জন্যই কেন্দ্রের কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন