বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও বদলি আবেদনেও চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ - Aaj Bikel
বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও বদলি আবেদনেও চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ

বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও বদলি আবেদনেও চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ

Share This

 

কলকাতা: কলেজ শিক্ষকদের বদলি চালুর করেছে রাজ্য সরকার৷ ওয়েবসাইটে ফরম ছাড়া হলেও সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকার অভাবে বদলি নিয়ে চূড়ান্ত অন্ধকারে শিক্ষকরা৷

কিছুদিন আগে খোদ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিক্ষকদের উদ্দেশে আবেদন করেছিলেন, যাতে আপাতত তাঁরা মিউচুয়াল ট্রান্সফারের পথে হাঁটেন। কিন্তু সেটা কীভাবে হবে, তার ছবি স্পষ্ট নয়। কলেজ শিক্ষকদের ট্রান্সফার প্রক্রিয়া ঘোষণায় শিক্ষকদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে। উচ্চশিক্ষা দফতরের ওয়েবসাইটে দেওয়া ফরম পূরণ করার পর কপাল ঠুকে অনেকে তা বিকাশভবনে জমাও করে দিচ্ছেন। কিন্তু তার কী ভবিষ্যৎ, তা কেউই জানেন না। মূলত, এই প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত কলেজ সার্ভিস কমিশনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলেই এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে শিক্ষকদের৷  না প্রকাশিত রাখার শর্তে কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, ‘‘শুনেছি ৫৫ বছরের বেশি বয়সি শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন না।

তবে এটা শোনা কথা। এখনও বিস্তারিত কিছু জানি না। কোনও কোনও শিক্ষক মিউচুয়াল ট্রান্সফারের খোঁজ নিচ্ছেন। মনে হচ্ছে, বিষয়টি আপৎকালীন ভিত্তিতে চালু করা হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার প্রয়োজন রয়েছে। সে জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হোক।’’  

বদলির আবেদনপত্রের সঙ্গে কলেজের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট লাগবে। কিন্তু কলেজগুলি কিছু না বুঝে তা দিতে চাইছে না। কেউ কেউ অবশ্য অধ্যক্ষদের রাজি করিয়ে তা আদায় করতে পেরেছেন। শাসকপন্থী অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপার এক অধ্যক্ষ বলেন, এখনও বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই বুঝে উঠতে সময় লাগবে। যা বুঝতে পারছি, সরকার আপাতত মিউচুয়াল ট্রান্সফারের উপরই জোর দিতে চাইছে। সেটা তো করা যেতেই পারে।

কিন্তু শূন্যপদ না জেনে কীভাবে আবেদন করবেন শিক্ষকরা? তিনি বলেন, যতক্ষণ শূন্যপদের তালিকা না প্রকাশিত হচ্ছে, ততক্ষণ ইচ্ছুক শিক্ষকদের ব্যক্তিগতভাবেই খোঁজ নিতে হবে। তাঁর বক্তব্য, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরকে যে সমপদস্থ কোনও শিক্ষকের সঙ্গে আপস বদলি করতে হবে, সেকথা বলা নেই। ফলে সেই ছাড় রয়েছে বলেই মনে হয়। স্কুলে বদলির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। অন্তত পাঁচ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা না থাকলে আবেদন করা যায় না। মহিলা হলে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়। দূরত্ব এবং অন্যান্য দিকগুলিও যাচাই করা হয়। আবার মিউচুয়াল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে সমপদের, একই বিষয়ের, একই মাধ্যমের, একই জাতিগত শ্রেণিভুক্ত শিক্ষক হতে হয়। কিন্তু কলেজের ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য কোনও ন্যূনতম বয়স বেঁধে দেওয়া হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই: