কলকাতা: সর্বশিক্ষা অভিযান কর্মী, প্যারাটিচার এবং এসএসকে-এমএসকে শিক্ষকদের মধ্যে বেতন বৈষম্যের অসন্তোষ তীব্র হচ্ছে। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন সরকারি দফতরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করেছে। সিভিক ভলান্টিয়ার, হোমগার্ডও নিযুক্ত হয়েছে চুক্তির ভিত্তিতে। কিন্তু তাঁদের থেকে আগের সরকারের আমলে নিযুক্ত হওয়া চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা বেতনের নিরিখে পিছিয়ে পড়ছেন। পুরানো কর্মীদের দাবি, তাঁরা রাজনৈতিকভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন৷
গত বছর থেকেই অর্থ দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী পাঁচ বছরের কম সময় ধরে কর্মরত গ্রুপ ডি কর্মীরা ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা পাচ্ছেন। পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মীরা পাচ্ছেন ১২ হাজার টাকা। দু’টি ক্ষেত্রেই তা আগে ছিল সাত হাজার টাকা। ১০ বছর বা তার বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মীরা পেতেন ৮৫০০ টাকা। কিন্তু সেই বেতন কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন এসেছে৷
১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মীরা পাবেন ১৪ হাজার ৫০০ টাকা। ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মীরা পাবেন ১৭ হাজার টাকা। তার বেশি অভিজ্ঞতা হলে পাবেন ২০ হাজার টাকা। গ্রুপ সি কর্মীদের ক্ষেত্রে এই টাকা যথাক্রমে ৮,৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বেশি অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। ১০ বা তার বেশি বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হলে সেটা ছিল ১১ হাজার টাকা। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তা যথাক্রমে বেড়ে হয়েছে ১৬ হাজার, ১৯ হাজার এবং ২২ হাজার ৫০০ টাকা। অবসরের পরে এই কর্মীরা ২ লক্ষ টাকার গ্র্যাচুইটি পাবেন। প্রতি বছর ৩ শতাংশ করে বেতনবৃদ্ধি হবে এই কর্মীদের। এর পাশাপাশি দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত মেডিকেল ইনসিওরেন্সও রয়েছে। কিন্তু এই আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন শুধুমাত্র ২০১১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের পর যাঁরা নিযুক্ত হয়েছেন, সেই সমস্ত কর্মীরাই। তার আগে যাঁরা নিযুক্ত হয়েছেন, তাঁদের অবস্থা এখনও শোচনীয়। প্রাথমিকের প্যারাটিচাররা ৫,৭০০ টাকার মতো ভাতা পান। পিএফ কেটে হাতে পান ৪,৯৪৪ টাকা। আর উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষকরা পান প্রায় ৮,২০০ টাকা। এই টাকা প্রতি পাঁচ বছরে তিন শতাংশ বাড়ে। তাঁরা অবসরের পর গ্র্যাচুইটি পাবেন এক লক্ষ টাকা। রাজ্য পার্শ্বশিক্ষক সমিতির সভাপতি রমিউল ইসলাম শেখ বলেন, বৈষম্য তো রয়েছেই৷
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ডেকে পাঠিয়েছেন। বেতন সংক্রান্ত দাবিতেই আলোচনা হবে। খুব আশা নিয়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছি। শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষকরা পান ৫,৯৫৪ টাকা। মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের সাধারণ গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকরা পান ৮,৯৩০ টাকা। আর অনার্স গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকরা পান ৯,৭১৪ টাকা। আর প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ হাজার ৫০০ টাকা। এসএসকে-এমএসকে যৌথ শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি মুকলেশ রহমান বিশ্বাস বলেন, আমরা কিন্তু স্থায়ী শিক্ষক। পঞ্চায়েত দফতরের অধীনে রয়েছি। কিন্তু স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দফতরে যাঁরা ২০১১ সালের পরে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত হয়েছেন, তাঁরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি বেতন পাচ্ছেন। এই বৈষম্য কবে মিটবে জানি না। সূত্রের খবর, শিক্ষা দফতরের তরফে পার্শ্বশিক্ষক, সর্বশিক্ষা মিশনের কর্মীদের বেতনবৃদ্ধির প্রস্তাব অনেক আগেই অর্থ দফতরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু অর্থ দফতর তা খারিজ করে দিয়েছে৷
অনেক শিক্ষক বলছেন, ২০১১ সালের আগে নিযুক্ত কর্মীরা সবাই সিপিএমের, এটা ধরে নিয়েই বৈষম্য করা হচ্ছে তাঁদের সঙ্গে। এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীন শিক্ষকদের বেতনবৃদ্ধি করলে, তার সিংহভাগ দিয়ে দেবে কেন্দ্রই। আর নতুন চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের পুরো টাকাই রাজ্যকে দিতে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও এই ফারাক আখেরে বৈমাত্রেয়সুলভ আচরণ ছাড়া কিছু নয় বলেই দাবি তাঁদের৷
গত বছর থেকেই অর্থ দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী পাঁচ বছরের কম সময় ধরে কর্মরত গ্রুপ ডি কর্মীরা ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা পাচ্ছেন। পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মীরা পাচ্ছেন ১২ হাজার টাকা। দু’টি ক্ষেত্রেই তা আগে ছিল সাত হাজার টাকা। ১০ বছর বা তার বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মীরা পেতেন ৮৫০০ টাকা। কিন্তু সেই বেতন কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন এসেছে৷
১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মীরা পাবেন ১৪ হাজার ৫০০ টাকা। ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মীরা পাবেন ১৭ হাজার টাকা। তার বেশি অভিজ্ঞতা হলে পাবেন ২০ হাজার টাকা। গ্রুপ সি কর্মীদের ক্ষেত্রে এই টাকা যথাক্রমে ৮,৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বেশি অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। ১০ বা তার বেশি বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হলে সেটা ছিল ১১ হাজার টাকা। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তা যথাক্রমে বেড়ে হয়েছে ১৬ হাজার, ১৯ হাজার এবং ২২ হাজার ৫০০ টাকা। অবসরের পরে এই কর্মীরা ২ লক্ষ টাকার গ্র্যাচুইটি পাবেন। প্রতি বছর ৩ শতাংশ করে বেতনবৃদ্ধি হবে এই কর্মীদের। এর পাশাপাশি দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত মেডিকেল ইনসিওরেন্সও রয়েছে। কিন্তু এই আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন শুধুমাত্র ২০১১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের পর যাঁরা নিযুক্ত হয়েছেন, সেই সমস্ত কর্মীরাই। তার আগে যাঁরা নিযুক্ত হয়েছেন, তাঁদের অবস্থা এখনও শোচনীয়। প্রাথমিকের প্যারাটিচাররা ৫,৭০০ টাকার মতো ভাতা পান। পিএফ কেটে হাতে পান ৪,৯৪৪ টাকা। আর উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষকরা পান প্রায় ৮,২০০ টাকা। এই টাকা প্রতি পাঁচ বছরে তিন শতাংশ বাড়ে। তাঁরা অবসরের পর গ্র্যাচুইটি পাবেন এক লক্ষ টাকা। রাজ্য পার্শ্বশিক্ষক সমিতির সভাপতি রমিউল ইসলাম শেখ বলেন, বৈষম্য তো রয়েছেই৷
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ডেকে পাঠিয়েছেন। বেতন সংক্রান্ত দাবিতেই আলোচনা হবে। খুব আশা নিয়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছি। শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষকরা পান ৫,৯৫৪ টাকা। মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের সাধারণ গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকরা পান ৮,৯৩০ টাকা। আর অনার্স গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকরা পান ৯,৭১৪ টাকা। আর প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ হাজার ৫০০ টাকা। এসএসকে-এমএসকে যৌথ শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি মুকলেশ রহমান বিশ্বাস বলেন, আমরা কিন্তু স্থায়ী শিক্ষক। পঞ্চায়েত দফতরের অধীনে রয়েছি। কিন্তু স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দফতরে যাঁরা ২০১১ সালের পরে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত হয়েছেন, তাঁরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি বেতন পাচ্ছেন। এই বৈষম্য কবে মিটবে জানি না। সূত্রের খবর, শিক্ষা দফতরের তরফে পার্শ্বশিক্ষক, সর্বশিক্ষা মিশনের কর্মীদের বেতনবৃদ্ধির প্রস্তাব অনেক আগেই অর্থ দফতরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু অর্থ দফতর তা খারিজ করে দিয়েছে৷
অনেক শিক্ষক বলছেন, ২০১১ সালের আগে নিযুক্ত কর্মীরা সবাই সিপিএমের, এটা ধরে নিয়েই বৈষম্য করা হচ্ছে তাঁদের সঙ্গে। এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীন শিক্ষকদের বেতনবৃদ্ধি করলে, তার সিংহভাগ দিয়ে দেবে কেন্দ্রই। আর নতুন চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের পুরো টাকাই রাজ্যকে দিতে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও এই ফারাক আখেরে বৈমাত্রেয়সুলভ আচরণ ছাড়া কিছু নয় বলেই দাবি তাঁদের৷
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন