সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনায় অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার৷ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হাওয়ার খবর কারিগরি শিক্ষা দফতর জানলেও সমস্যা মেটাতে উদাসীন কর্তৃপক্ষ৷ প্রশ্ন ফাঁস হলেও এই বিষয়ে পুলিশে কোনও অভিযোগ করা হয়নি বলে অভিযোগ পড়ুয়াদের৷ যদিও, মুখ রক্ষার স্বার্থে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ পুনরায় করে পরীক্ষা নেওয়া হবে? আদৌও পরীক্ষা নেওয়া হবে কিনা সেই বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি৷
এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কারিগরি শিক্ষা আমার দফতর নয়৷ পলিটেকনিকে প্রশ্ন ফাঁস বিষয়ে না জেনে কিছু বলব না৷’’ ফাঁস হওয়া প্রশ্নেই পরীক্ষা দিয়েছে হাজার হাজার পলিটেকনিক পড়ুয়া৷ প্রশ্ন ফাঁসের ফলে সাধারণ পড়ুয়াদের একটি বড় অংশ যে মেধার নিরিখে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে পড়বে তা নিয়ে সন্দেহ নেই৷ কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন৷ এই ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘‘ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷’’
গত ১২ থেকে ২৩ ডিসেম্বর রাজ্যে পলিটেকনিকের পরীক্ষা হয়৷ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়বর্ষ মিলিয়ে লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় বসে৷ ২১ ডিসেম্বর ছিল প্রথম বর্ষের রসায়নের পরীক্ষা৷ এই প্রশ্নপত্রটি ফাঁস হয়েছে৷ নির্ধারিত দিনের এক সপ্তাহ আগে প্রশ্নটি 'সাজেশন' নাম নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়ায়৷ আগে থেকে জেনে যাওয়া প্রশ্নে পড়ুয়াদের একটি অংশ পরীক্ষা দেয়৷ বাকি অংশ অবশ্য নিজেদের প্রস্তুতি মতো পরীক্ষা দিয়েছে৷
প্রশ্ন জেনে এবং না জেনে পরীক্ষা দেওয়া দু'দল পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বরে বড়সড় তফাত থাকবে বলে মনে করছে শিক্ষামহল৷ বছর দু'য়েক আগে আইটিআইয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল৷ মুখ্যমন্ত্রী সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন৷ তদন্তে নেমে হুগলি থেকে একজনকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি৷ কারিগরি শিক্ষা দফতরের তৎকালীন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস এক সপ্তাহ পরে ফের পরীক্ষা নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন৷
ওই দফতরেই ফের প্রশ্ন ফাঁসের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘‘পরীক্ষা ব্যবস্থায় সবসময় তিনটে করে প্রশ্নের সেট থাকে৷ পরীক্ষা স্থগিত হলে আরও দু'টি সেট থেকে যে কোনও একটি বেছে নেওয়া হয়৷ ছাপতে খুব বেশি সময় লাগে না৷’’ প্রায় একই সময়ে এই দফতর থেকে কুকুরের মুখ বসানো অ্যাডমিট প্রকাশ করা হয়েছিল৷ তা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ৷ তদন্তে এক ছাত্রের যুক্ত থাকার কথা জানা যায়৷
চলতি মাসে প্রশ্ন ফাঁসের জেরে পলিটেকনিক পরীক্ষা কি ফের নেওয়া হবে? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি৷ কারিগরি শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, প্রশ্ন ফাঁসের খবর জানার পর বিভাগীয় তদন্ত হবে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে সেই কাজ এগোয়নি৷ কাউকে ডেকে জেরা করাও হয়নি৷ জানা গিয়েছে, আজ ২৭ ডিসেম্বর পরীক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে নিউটাউনে কারিগরি ভবনে ডাকা হয়েছে৷
এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কারিগরি শিক্ষা আমার দফতর নয়৷ পলিটেকনিকে প্রশ্ন ফাঁস বিষয়ে না জেনে কিছু বলব না৷’’ ফাঁস হওয়া প্রশ্নেই পরীক্ষা দিয়েছে হাজার হাজার পলিটেকনিক পড়ুয়া৷ প্রশ্ন ফাঁসের ফলে সাধারণ পড়ুয়াদের একটি বড় অংশ যে মেধার নিরিখে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে পড়বে তা নিয়ে সন্দেহ নেই৷ কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন৷ এই ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘‘ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷’’
গত ১২ থেকে ২৩ ডিসেম্বর রাজ্যে পলিটেকনিকের পরীক্ষা হয়৷ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়বর্ষ মিলিয়ে লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় বসে৷ ২১ ডিসেম্বর ছিল প্রথম বর্ষের রসায়নের পরীক্ষা৷ এই প্রশ্নপত্রটি ফাঁস হয়েছে৷ নির্ধারিত দিনের এক সপ্তাহ আগে প্রশ্নটি 'সাজেশন' নাম নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়ায়৷ আগে থেকে জেনে যাওয়া প্রশ্নে পড়ুয়াদের একটি অংশ পরীক্ষা দেয়৷ বাকি অংশ অবশ্য নিজেদের প্রস্তুতি মতো পরীক্ষা দিয়েছে৷
প্রশ্ন জেনে এবং না জেনে পরীক্ষা দেওয়া দু'দল পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বরে বড়সড় তফাত থাকবে বলে মনে করছে শিক্ষামহল৷ বছর দু'য়েক আগে আইটিআইয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল৷ মুখ্যমন্ত্রী সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন৷ তদন্তে নেমে হুগলি থেকে একজনকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি৷ কারিগরি শিক্ষা দফতরের তৎকালীন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস এক সপ্তাহ পরে ফের পরীক্ষা নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন৷
ওই দফতরেই ফের প্রশ্ন ফাঁসের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘‘পরীক্ষা ব্যবস্থায় সবসময় তিনটে করে প্রশ্নের সেট থাকে৷ পরীক্ষা স্থগিত হলে আরও দু'টি সেট থেকে যে কোনও একটি বেছে নেওয়া হয়৷ ছাপতে খুব বেশি সময় লাগে না৷’’ প্রায় একই সময়ে এই দফতর থেকে কুকুরের মুখ বসানো অ্যাডমিট প্রকাশ করা হয়েছিল৷ তা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ৷ তদন্তে এক ছাত্রের যুক্ত থাকার কথা জানা যায়৷
চলতি মাসে প্রশ্ন ফাঁসের জেরে পলিটেকনিক পরীক্ষা কি ফের নেওয়া হবে? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি৷ কারিগরি শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, প্রশ্ন ফাঁসের খবর জানার পর বিভাগীয় তদন্ত হবে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে সেই কাজ এগোয়নি৷ কাউকে ডেকে জেরা করাও হয়নি৷ জানা গিয়েছে, আজ ২৭ ডিসেম্বর পরীক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে নিউটাউনে কারিগরি ভবনে ডাকা হয়েছে৷
আরও পড়ুন-
আরও পড়ুন- শিক্ষক নিয়োগে পর্ষদ সভাপতি’র মন্তব্যে আরও বাড়ল
বিতর্ক,
তাহলে সত্যিই কি দুর্নীতি হয়েছে?
আরও পড়ুন- রাজ্যে কাজের কোনও অভাব নেই: মমতা
আরও পড়ুন- শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির পাহাড় ভাঙতে যে পথে এগচ্ছেন রাজ্যের কয়েক হাজার
যুবক
আরও পড়ুন- প্রাথমিকের সিলেবাসে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে সিলেবাস কমিটি!
আরও পড়ুন- প্রাথমিকের সিলেবাসে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে সিলেবাস কমিটি!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন