
কলকাতা: এবার ছুটির দিনেও পড়ুয়াদের মিড ডে মিল দেওয়ার ইঙ্গিত৷ মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের স্কুলশিক্ষা বিভাগের বিশেষ সচিব রীনা সাহার বক্তব্যে সেরকমই জল্পনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দিল্লির এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘‘আমরা কি হত দরিদ্র মানুষদের জন্য এমন কিছু ভাবতে পারি, যেখানে ছুটির দিনেও বাচ্চাদের মিল ডে মিল দেওয়া যায়?’’ তারপর থেকেই সব মহলে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
এটা নিয়ে কেন্দ্র কত দূর ভাবনাচিন্তা করেছে, তা নিয়ে অবশ্য এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। কিন্তু মন্ত্রকের ওই শীর্ষকর্তার মন্তব্য জল্পনা উসকে দিয়েছে। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে অনাহারে এক খুদে পড়ুয়ার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। যদিও ওই রাজ্যের প্রশাসন তার মৃত্যুর অন্য ব্যাখ্যা দিয়েছে। তবে কারণ যাই হোক না কেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র যে কিছুটা নড়েচড়ে বসেছে, তা স্পষ্ট। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বর্তমানে প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা স্কুলে একবেলা করে মিড ডে মিল পায়। কিন্তু স্কুল ছুটি থাকলে সেই খাবার দেওয়া হয় না। বলা হয়, স্কুলমুখো করতে কেন্দ্র এমন নানা প্রকল্প চালু করেছিল। তাতে কাজও হয়েছে। কিন্তু তার সঙ্গে এটাও ঠিক যে হত দরিদ্র পরিবারের বাচ্চারা স্কুলে যায় শুধুমাত্র একবেলা অন্তত যাতে ভরপেট খেতে পায়।
অনেক জায়গায় টিফিন বক্সে সেই খাবার বাড়িতে আনা হয়। কিন্তু স্কুল যখন বন্ধ থাকে বা টানা ছুটি থাকে, সেই সমস্ত পরিবারের বাচ্চাদের সমস্যা হয়। তাই এই সব দিনেও যদি খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে নুন আনতে পান্তা ফুরানো পরিবারগুলির বাচ্চাদের খিদে মিটতে পারে। আখেরে কেন্দ্র তাতে কতটা উদ্যোগী হবে, সেদিকেই তাকিয়ে শিক্ষামহল। তবে তাদের মতে, ছুটির দিনে মিড ডে মিল অবশ্যই ভালো। কিন্তু এইসব দিনে পরিষেবা দেওয়ার মতো পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। এর আগে এই মিড ডে মিলের পরিষেবা অষ্টম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কথা বহুবার শোনা গিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তা এখনও হয়ে ওঠেনি। এক্ষেত্রেও সেরকম পরিণতি হবে কি না, সে ব্যাপারও অনেকের সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
এটা নিয়ে কেন্দ্র কত দূর ভাবনাচিন্তা করেছে, তা নিয়ে অবশ্য এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। কিন্তু মন্ত্রকের ওই শীর্ষকর্তার মন্তব্য জল্পনা উসকে দিয়েছে। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে অনাহারে এক খুদে পড়ুয়ার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। যদিও ওই রাজ্যের প্রশাসন তার মৃত্যুর অন্য ব্যাখ্যা দিয়েছে। তবে কারণ যাই হোক না কেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র যে কিছুটা নড়েচড়ে বসেছে, তা স্পষ্ট। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বর্তমানে প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা স্কুলে একবেলা করে মিড ডে মিল পায়। কিন্তু স্কুল ছুটি থাকলে সেই খাবার দেওয়া হয় না। বলা হয়, স্কুলমুখো করতে কেন্দ্র এমন নানা প্রকল্প চালু করেছিল। তাতে কাজও হয়েছে। কিন্তু তার সঙ্গে এটাও ঠিক যে হত দরিদ্র পরিবারের বাচ্চারা স্কুলে যায় শুধুমাত্র একবেলা অন্তত যাতে ভরপেট খেতে পায়।
অনেক জায়গায় টিফিন বক্সে সেই খাবার বাড়িতে আনা হয়। কিন্তু স্কুল যখন বন্ধ থাকে বা টানা ছুটি থাকে, সেই সমস্ত পরিবারের বাচ্চাদের সমস্যা হয়। তাই এই সব দিনেও যদি খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে নুন আনতে পান্তা ফুরানো পরিবারগুলির বাচ্চাদের খিদে মিটতে পারে। আখেরে কেন্দ্র তাতে কতটা উদ্যোগী হবে, সেদিকেই তাকিয়ে শিক্ষামহল। তবে তাদের মতে, ছুটির দিনে মিড ডে মিল অবশ্যই ভালো। কিন্তু এইসব দিনে পরিষেবা দেওয়ার মতো পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। এর আগে এই মিড ডে মিলের পরিষেবা অষ্টম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কথা বহুবার শোনা গিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তা এখনও হয়ে ওঠেনি। এক্ষেত্রেও সেরকম পরিণতি হবে কি না, সে ব্যাপারও অনেকের সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন