মামলার ‘অজুহাত’ দিয়ে আর কতদিন চালাবে কমিশন? প্রতিশ্রুতি আদায়ে নয়া পদক্ষেপ - Aaj Bikel
মামলার ‘অজুহাত’ দিয়ে আর কতদিন চালাবে কমিশন? প্রতিশ্রুতি আদায়ে নয়া পদক্ষেপ

মামলার ‘অজুহাত’ দিয়ে আর কতদিন চালাবে কমিশন? প্রতিশ্রুতি আদায়ে নয়া পদক্ষেপ

Share This

আজ বিকেল: শুখনো প্রতিশ্রুতিতে আর কাজ হবে না৷ এবার দরকার লিখিত প্রতিশ্রুতি৷ কী কারণে বন্ধ নিয়োগ? কোন মামলার ভিত্তিতে থমকে SSC-র নিয়োগ প্রক্রিয়া? এবার কমিশনের কাছ থেকে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়ার দাবিতে বৃহস্পতিবারের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক দিয়েছেন SSC চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ৷ তবে, শুধু লিখিত ব্যাখ্যাই নয়, হাতে হাতে মেরিট লিস্ট না পাওয়া পর্যন্ত লাগাতার এই আন্দোলন চলবে বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ এমনকী, প্রতিবছর SSC পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরি দিতে হবে বলেও দাবি  জানানো হয়৷ 

শিক্ষা ও চাকরির সমস্ত আপডেট পেতে ফেসবুক পেজ লাইক করুন৷ 

 

 
আন্দোনলকারিদের তরফে রাজা নন্দী আজ বিকেলকে জানিয়েছেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত ভোটের আগে এটাই SSC চাকরিপ্রার্থীদের শেষ আন্দোলন৷ ফলে, এই দিন হাতে হাতে আপারে মেরিট লিস্ট না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে৷ শুধু মেধাতালিকা প্রকাশই নয়, অন্তত ৩০ হাজার পড়ে থাকা শূন্যপদে নিয়োগেরও দাবি জানানো হবে৷ একইসঙ্গে ভোটের আগে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত নিয়োগ করতে হবে বলেও দাবি জানানো হচ্ছে৷ সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ হওয়ার পর কমিশনের ওয়েবসাইটে PDF ফরম্যাটে ফলাফল প্রকাশের দাবি তুলছে চাকরিপ্রার্থীরা৷

চাকরি সংক্রান্ত খবর জানতে ক্লিক করুন এখানে


এদিনের আন্দোলন প্রসঙ্গে SSC চাকরিপ্রার্থী ফেসবুক লাইফে মন্তব্য করেন, ‘‘রাজ্যে টাকা দিয়ে সিট বিক্রির রমরমা বাজার চলছে৷ তার ফলেই সরকারের শিক্ষক নিয়োগের সদিচ্ছার অভাব দেখা দিয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী থেকে শিক্ষামন্ত্রী সবাই এসব জানেন চুপ৷ এই পরিস্থিতি থেকে নিজেকে বাঁচাতে হলে আন্দোলন ছাড়া আর কোনও গতি নেই৷ বাড়ির মেয়ে-বৌ যারা SSC চাকরিপ্রার্থী, তারা আন্দোলনে যোগ দিক৷ কারণ, আমরা রেজাল্ট না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব৷’’
শিক্ষা সংক্রান্ত খবর জানতে ক্লিক করুন এখানে

আন্দোলন এগিয়ে নিয় যেতে ও চাকরিপ্রার্থীদের উৎসাহিত করতে এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, ‘‘আন্দোলনের দিন কমিশন মামলার অজুহাতে আন্দোলন ব্যর্থ করার চেষ্টা করবে৷ সেদিন কমিশনকে লিখিতভাবে জানাতে হবে, হাইকোর্টে কোন কেস নম্বরের ভিত্তিতে Upper Primary নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে৷ কমিশনের লিখিত নির্দেশ ছাড়া ‘স্টে অর্ডারে’র অজুহাত আমরা শুনব না৷ সেদিনই কমিশনকে মেরিট লিস্ট দিতে বাধ্য করব৷

কোন মন্তব্য নেই: