কলকাতা: দোষ প্রমাণিত হলে ময়নাগুড়ির সুভাষনগর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জেলার প্রথম ‘শিক্ষারত্ন’ পাওয়া হরিদয়াল রায়ের সরকারী পুরস্কার বাতিল করা হবে৷ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টপাধ্যায় বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন৷ পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্র খুলে এক মেধাবী ছাত্রকে উত্তরপত্র সাপ্লাইয়ের অভিযোগ উঠেছে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এদিকে, ওই ঘটনায় মধ্যশিক্ষা পর্যদ তদন্ত শুরু করেছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, শুক্রবার ওই শিক্ষকসহ সব পক্ষকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এতে যা উঠে আসবে তা রিপোর্ট আকারে পাঠিয়ে দেওয়া হবে স্কুলশিক্ষা দফ্তরে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ভালভাবে তদন্ত করে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ এ রকম হয়ে থাকলেন তা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অবমাননার সামিল| মেধাবৃত্তির প্রকাশের যে অনলস প্রয়াস চলছে এ রাজ্যে, এ রকম ঘটনা তার প্রতি অসম্মানের মত৷ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত হলে ২০১৪-তে দেওয়া ‘শিক্ষারত্ন’ ফেরত নিয়ে নেওয়া হবে৷”
অভিযোগ উঠেছে, নিজের স্কুলের ওই মেধাবী ছাত্রকে প্রথম দশে জায়গা করে স্কুলের সুনাম বৃদ্ধি করাই নাকি ওই প্রধান শিক্ষকের মূল উদ্দেশ্য ছিল। ওই ঘটনা নিয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শক বিশ্বনাথ ভৌমিক বলেন, স্কুলের কাছে এক কর্মীর মেয়ের বাড়িতে বসে কিছু শিক্ষককে দিয়ে উত্তরপত্র তৈরি করে স্কুলের এক সেরা ছাত্র সহ আরও অনেককে পাঠানো হয়েছিল। প্রধান শিক্ষকই এটা করিয়েছেন। এবিষয়ে তথ্যপ্রমাণ আমার কাছে আছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তা জানিয়েছি। প্রধান শিক্ষক হরিদয়াল রায় অবশ্য জোরের সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন