কৃষ্ণনগর : উপনির্বাচন পর্ব শেষ হতেই ফের জেলা প্রশাসনের রাশ টেনে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন বছরে জেলা সফর শুরু করেই জেলা প্রশাসনস্তর থেকে কৈফিয়ৎ চাইলেন। পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের স্বকীয় ভঙ্গিতে ধমক দিলেন। সোমবার নদীয়ার কৃষ্ণনগরে প্রশাসনিক সভার মঞ্চ থেকে পুলিশ সুপার সিসরাম ঝাঁঝারিয়াকে ধমক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুষ্কৃতি দৌরাত্ম্য অাটকাতে পুলিশের গাফিলতির কথা তুলে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ থেকে এসে খুন করে চলে যাচ্ছে।” পাশাপাশি দুর্ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনকে ধমক দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমি এসব বরদাস্ত করব না। এদিন দুর্ঘটনার প্রকোপ নিয়েও প্রশাসনকে ধমক দেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন কৃষ্ণনগরের প্রশাসনিক বৈঠকে জেলাশাসক সহ ব্লক উন্নয়ন অাধিকারিকদেরও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। মিড ডে মিল ঠিকমত চলছে কি না তা দেখতে বিডিওদের নজর রাখতে বলেন। জেলাশাসকদের ১০০দিনের কাজের সংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেন। জমি নিয়ে কোনও সমস্যা থাকলে জোর করে কোনও জমি নেওয়া হবে না। মানুষ চাইলে তবেই মানুষের উপকার করা হবে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, কল্যাণী থেকে বেলঘরিয়া যাওয়ার জন্য নতুন রাস্তা চালু করা হবে। ফলে কল্যাণী-বেলঘরিয়া যাতায়াতের সময় অনেকটা কমে যাবে। প্রতি বিধানসভায় শ্মশানগুলি সুন্দর করার কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ধুবুলিয়ায় টিবি হাসপাতালের জন্য নতুন করে টেন্ডার করা ডাকা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়েন রানাঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান পার্থ চ্যাটার্জি। রবীন্দ্র ভবন তৈরি নিয়ে ১১ কোটি টাকার প্রজেক্ট জমা দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, পার্থ চ্যাটার্জিকে ওই প্রজেক্ট দু’কোটি টাকায় করতে হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন