আগরতলা: ত্রিপুরা তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছিল প্রথম এনডিএ সরকার। তারপর দীর্ঘ ১০ বছর বাদে আবার নতুন করে যোজনা গ্রহণ করে এই অঞ্চলের উন্নয়নে বিস্তর কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কিন্তু ত্রিপুরায় এর বিশেষ কোনও প্রভাবই পড়ছে না বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
তিনি বলেন, "আগামী দিনে বিজেপি সরকার পরিকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেবে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে সহায়তা প্রধান শুরু করেছে। কিন্তু বর্তমান রাজ্য সরকার তাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।" প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ত্রিপুরা-সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নতি না হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে ত্রিপুরার উন্নয়ন প্রয়োজন। ত্রিপুরার বিকাশে উদ্যোগী নয় সিপিআইএম পরিচালিত সরকার। বিজেপি সরকার এলে কেন্দ্রের মতোই রাজ্যের উন্নয়ন সম্ভব হবে।"
তিনি বলেন, "ত্রিপুরাতে 'থ্রি টি' চাই। এগুলো হল ট্রেড, টুরিজম আর ট্রেনিং প্রয়োজন। বিজেপি সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর রাজপথ বিকাশে বরাদ্দের পরিমাণ ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ত্রিপুরায় ফেনি নদীর উপর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। আগরতলা বিমানবন্দরকে উন্নত করতে ৪৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ করা হয়েছে। উড়ান যোজনায় অতি সাধারণ মানুষকেও হাওয়াই জাহাজের সুবিধা বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মুম্বাই এবং চেন্নাইয়ের পর আগরতলাকে ইন্টারনেট গেটওয়েযুক্ত করা হয়েছে।"
তিনি বলেন, "যারা গ্রহরত্নে বিশ্বাসী, তারা নানা ধরনের আংটি পড়েন। অনেক সময় সঠিক আংটি না পড়লে আবার সমস্যা বেড়ে যায়। ত্রিপুরাবাসীরও তা-ই হয়েছে। তাঁরা হাতে মানিক পড়েছেন। তাই এত সমস্যা। এখন মানিক ছেড়ে হিরা পড়তে হবে। হীরার 'এইচ' মানে হাই-ওয়ে, 'আই' দিয়ে আই-ওয়ে, মানে ইন্টারন্যাট পরিষেবা। 'আর' দিয়ে রোড-কানেক্টিভিটি, আর 'এ' দিয়ে এয়ার-কানেক্টিভিটি। কেন্দ্রীয় সরকার এ সবে ইতিমধ্যেই গুরুত্ব দিয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের উদাসীনতায় পরিণাম আসছে না।" তিনি উল্লেখ করেন, ভোট এমন ভাবে দিতে হবে যাতে বোতাম টিপলেই অন্তরাত্মা 'চল পাল্টাই'-এর আওয়াজ শুনতে পায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন