৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভায় উপজাতি সংরক্ষিত আসন হচ্ছে - ১ সিমনা, ১১ মান্দাই বাজার, ১২ টাকারজলা, ১৭ গোলাঘাটি, ১৯ চড়িলাম, ২৪ রামচন্দ্রঘাট, ২৬ আশারামবাড়ি, ২৯ কৃষ্ণপুর, ৩০ বাগমা, ৩৬ শান্তিরবাজার, ৩৮ জোলাইবাড়ি, ৩৯ মনু, ৪১ অম্পিনগর, ৪৩ করবুক, ৪৪ রাইমাভ্যালী, ৪৭ আমবাসা, ৪৮ করমছড়া, ৪৯ ছামনু, ৫৯ পেঁচারথল এবং ৬০ কাঞ্চনপুর।
সুদীর্ঘ ২৫টি বছরে কয়েকটা সময়কাল বাদ দিয়ে টানা বাম প্রার্থীরাই এসকল আসনগুলির অধিকাংশতে জয়ী হয়েছেন। কিন্তু গণদেবতার ভোটে জয়ী হলেও জনপ্রতিনিধিরা জনসংযোগ কর্মসূচিতে জনতার থেকে থেকেছেন শতযোজন দূরে। শুধু বঞ্চনা এবং উপেক্ষার বুকফাটা নিঃশ্বাসেই কেঁদেছে পাহাড়ী প্রান্তর। আর ভোটের সামনে দাঁড়িয়ে এসকল বাম জনপ্রতিনিধিদের এখন উপচে পড়ছে উপজাতি দরদ। তুলনায় ময়দানে নেমে মানুষের পাশে ঠেকেছে বিরোধী শক্তি।
সেই যাই হোক এডিসি এলাকাতে উপজাতি বঞ্চনার প্রশ্ন তুলে পৃথক রাজ্যের দাবি জানিয়ে গ্রাম পাহাড়ের মানুষকে পাশে টেনেছে উপজাতি ভিত্তিক আঞ্চলিক দল আইপিএফটি। প্রশ্ন উঠতেই পারে – কেন রাজ্যের মধ্যে আবার একটি পৃথক রাজ্যের দাবি? সেই দাবি কিন্তু এক বা দুবছরে উঠে পড়ে নি। রাজ্য রাজনীতির সামগ্রিক প্রেক্ষাপট, লাগামহীন উপজাতি বঞ্চনা, উপজাতি এলাকার অনুন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যে পিছিয়ে থাকা সহ নানা ইস্যুকে সামনে রেখেই উঠে আসে পৃথক রাজ্যের শ্লোগান। আর এই ইস্যুতে যদি আঞ্চলিক দলটির বিরুদ্ধে যত না প্রশ্ন তোলা হয়, তার সিংহভাগের জন্য কিছুতেই দায় এড়াতে পারে না বাম জমানার টানা ২৫টি বছর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন