ইংরেজিতে সব থেকে বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব! কীভাবে? - Aaj Bikel
ইংরেজিতে সব থেকে বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব! কীভাবে?

ইংরেজিতে সব থেকে বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব! কীভাবে?

Share This

মাধ্যমিক পরীক্ষা৷ ইংরেজি৷ শিরদাঁড়ায় ঠাণ্ডা স্রোত৷ কিন্তু এই পেপারেই সব থেকে বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব৷ পরীক্ষা দেওয়ার আগে আর দেওয়ার সময়ে কিছু স্ট্র্যাটেজি হোম ওয়ার্ক করে গেলে অনায়াসে এই বৈতরনি পার হওয়া যায়৷ 


প্রথমেই বলি, আমরা এখন যে ভাষায় কথা বলি, তার অনেকটাই ইংরেজি৷ বাক্য না হলেও শব্দ তো বলেই থাকি, তাই না ? সবটাই তো আর না বুঝে নয়৷ একটা কিছু ইংরেজিতে পড়লে তার কিছুই বোধগম্য হয় না এমন তো নয়৷ তাহলে কিন্তু ইংরেজি পরীক্ষা নিয়ে ভয়ের কোনও কারণই নেই৷ ৯০ নম্বরের মধ্যে ৪০ নম্বর শুধু পড়ে বুঝে উত্তর দেওয়ার জন্য , যার মধ্যে আবার ২০ নম্বর চেনা , মানে টেক্সট বই থেকে , আর বাকিটা ‘দেবা -না -জানন্তি ’, মানে অজানা -অদেখা বা ‘আনসিন ’৷ এই অজানা অংশটা সাধারণত কোনও খবরের কাগজের রিপোর্ট বা কোনও গদ্যাংশ থেকে দেওয়া হয়৷

তোমরা তো গল্পের বই পড়৷ এটাও একটা ছোটো গল্পের মতই৷ সহজ কথায় তোমাদের নিজের মন এবং মস্তিষ্ক থেকে এই চিন্তাটা বাদ দাও যে তুমি একটা অজানা বিদেশি ভাষায় পরীক্ষা দিতে যাচ্ছ৷ ইংরেজি পরীক্ষা দেওয়া একটা মানসিক লড়াই৷ আগে থেকে নিজেকে অভ্যস্ত করে রাখলে এই লড়াই একটা গেম এর মত মনে হবে৷ প্রথমত , মনে রাখতে হবে এখানে কোনও অপশান বা চয়েস থাকে না৷ দ্বিতীয়ত , প্রশ্নপত্রেই উত্তর , সীমিত স্থানে৷ তৃতীয়ত , কোন বিভাগে কতটা সময় দেবে , সেটার হোম -ওয়ার্ক থাকা ভীষণ জরুরি৷ আর সব শেষে , রিভিশন টাইম রাখা আবশ্যিক৷ বিভাগ অনুযায়ী আলোচনায় আসা যাক৷

‘কম্প্রিহেনশন ’ জানা এবং অজানা বিভাগে যে সব প্রশ্ন থাকে , সেখানে প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণ বাক্যে লেখার চেষ্টা করো৷ একান্তই বাক্য গঠনে দূর্বল হলে , সেখানে উত্তরে যে ক্লজ বা ফ্রেস বা ওয়ার্ড থাকবে সেটুকু লিখলেও সম্পূর্ণ নম্বর তুমি পেতে পার৷ ট্রু-ফলস এর ক্ষেত্রে , জেনে রাখ , তুমি ‘ট্রু’ বা ‘ফলস ’ লিখলে৷ সেটাই ঠিক উত্তর -ও হল৷ ‘সাপোর্টিং স্টেটমেন্ট ’-এর মোহ ত্যাগ করতে হবে , না -হ্যাঁ, একশ শতাংশ নিশ্চিত হতে হবে৷ আর যারা ওপর চালাকী করে ‘টি’ আর ‘এফ ’ এর মিশ্রণে একটা নতুন ইংরেজি অক্ষর লিখে চালিয়ে দিতে চাও , তারা ‘শূন্য ’ পাবে৷

‘গ্রামার ভোকাবিউলারি ’-র ক্ষেত্রে মনে রাখবে দ্বিতীয় কোনও সঠিক উত্তর হয় না৷ একটাই উত্তর৷ তাই হয় এসপার না হয় উসপার৷ খুব ভাল করে মুখস্থ করতে হবে ‘ফ্রেজাল ভার্বস ’আর ‘প্রিপজিশনস ’৷ টেস্ট পেপারে যতগুলো আছে একটা খাতায় জড় করে অভ্যাস কর৷ সব কমন পেয়ে যাবে৷ কিন্ত্ত ভার্ব-এর টেন্স যেন প্রশ্ন অনুসারে বদলাতে ভুল না হয়৷ সঠিক নির্বাচনের জন্য অর্ধেক, আর ভার্ব এর টেন্স সঠিক ভাবে বদলানোর জন্য অর্ধেক নম্বর থাকে৷

অজানা প্যাসেজ থেকে সমার্থক শব্দ খুঁজে বের করার মধ্যে সবথেকে বেশি নম্বর থাকে৷ চারটের জন্য আট নম্বর৷ প্যাসেজ -টা পড়তে শুরু করার আগে দেখে নাও কি কি শব্দের সমার্থক শব্দ তোমাকে খুঁজতে বলা হয়েছে৷ ওই প্যাসেজটা তো অনেকবার পড়তেই হবে৷ মাথায় যদি প্রশ্নগুলো রেখে দেওয়া যায় , তাহলে সেগুলোর উত্তর খুঁজে পেতে আলাদা করে আর সময় খরচ হয় না৷ প্রয়োজনে পেন বা পেন্সিল দিয়ে , সম্ভাব্য শব্দগূলো চিহ্নিত করে রাখতেই পার৷ একই নিয়ম , বাক্যে লিখে প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রেও৷ ‘রাইটিং ’ এমন একটি বিভাগ যেখানে আসল পৃথকীকরণ ঘটে যায়৷ 

সহজ সরল বাক্য লিখলে কোনও অসুবিধা নেই৷ যা দেওয়া আছে , তার পর একটি বা দু-টি পয়েন্ট সর্বোচ্চ যুক্ত করা যেতে পারে৷ চিঠি আর নোটিশের ‘ফর্ম্যাট’ র জন্য আলাদা নম্বর তখনই পাবে , যখন মূল ‘কন্টেন্ট ’ দেওয়া পয়েন্টস অনুসারে হবে৷ নোটিশ আর চিঠিতে তারিখ দিতে ভুলবে না৷ গল্প লিখতে বললে তার নাম আর মরাল বা নীতিশিক্ষা লিখতেই হবে৷ কোনও প্রশ্নের উত্তর বা টিক চিহ্ন যেন পেনসিলে না লেখা থাকে৷ থাকলেও তা পেন দিয়ে সম্পূর্ণ কর৷

কোন মন্তব্য নেই: