মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা৷ হাই-ভোল্টেজ শকের মতো! পৃথিবীর সবথেকে কঠিন মুহূর্তগুলি যেন বাঁধা পড়বে পরীক্ষার হলে ওই তিন-ঘণ্টা পনেরো মিনিটের মধ্যে৷ কীভাবে ফাইট করা যায়, কেমন করে এই কঠিন মুহূর্তগুলিকে সহজতর করে নিয়ে সব থেকে বেশি নম্বর পাওয়া যেতে পারে?
অঙ্কে ভাল স্কোর করতে গেলে প্রথমেই নিজের অভ্যাসের স্ট্র্যাটেজিকে একটা ফরম্যাটে নিয়ে আসতে হবে৷ আর সেটা হবে প্রায় প্রাত্যহিক রুটিনের একটা বড় অংশ যখন সে শুধু অঙ্ক -টুকু নিয়েই ভাববে৷ সবার আগে ভয় ব্যাপারটা কাটাতে হবে৷ প্রথমেই যত টেস্ট পেপারস আছে , তার যে অংশগুলোতে সবথেকে কনফিডেন্ট, দশ -পনেরোটা পেপার থেকে সেই সব অংশের অঙ্কগুলোকে বেছে বেছে করে ফেলতে হবে৷
অঙ্কে ভাল স্কোর করতে গেলে প্রথমেই নিজের অভ্যাসের স্ট্র্যাটেজিকে একটা ফরম্যাটে নিয়ে আসতে হবে৷ আর সেটা হবে প্রায় প্রাত্যহিক রুটিনের একটা বড় অংশ যখন সে শুধু অঙ্ক -টুকু নিয়েই ভাববে৷ সবার আগে ভয় ব্যাপারটা কাটাতে হবে৷ প্রথমেই যত টেস্ট পেপারস আছে , তার যে অংশগুলোতে সবথেকে কনফিডেন্ট, দশ -পনেরোটা পেপার থেকে সেই সব অংশের অঙ্কগুলোকে বেছে বেছে করে ফেলতে হবে৷
এই বিষয়টাই এমন যে যখনই পরপর অঙ্ক মিলে যেতে থাকলেই নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বাড়তে থাকে৷ পড়া আর পরীক্ষা দেওয়া দুটো আলাদা অথচ একই সঙ্গে জড়িত৷ পড়া হল জ্ঞানার্জন , আর পরীক্ষা হল একটা স্ট্র্যাটেজিক গেম৷ এই ছক থেকেই অনেকটাই পরিষ্কার হবে যে কোন অংশে কীরকম গুরুত্ব দিয়ে প্রস্ত্ততি নিতে হবে৷ সাদা চোখে দেখাই যাচ্ছে যে আমাদের জীবনে যেহেতু জ্যামিতি আর ত্রিকোণমিতির ব্যবহার সবথেকে বেশি , তাই প্রশ্নপত্রেও সেই অংশগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷ রাশিবিজ্ঞান একটি নতুন সংযোজন এবং সহজতর৷ খুব সহজেই এখানে নম্বর তোলা যায়৷
বিভাগগত বিভাজন তুমি করতেই পার, কিন্তু উত্তরপত্রে বিভিন্ন বিভাগের অঙ্ক ছড়িয়ে ছিটিয়ে সমাধান না করাই ভাল৷ যে অঙ্ক একবার আটকে গিয়েছে , সেটার জন্য সময় নষ্ট না করে পরের অঙ্কে চলে যাও৷ অযথা টেনশন কোরো না৷ পরীক্ষক তোমাকে চেনেন না৷ তোমার উত্তরপত্রই কিন্তু তোমার, জ্ঞানের দলিল৷
মনে রাখতে হবে-
- দু’নম্বরের অবজেক্টিভ কষে দেখিয়ে দিতে হবে৷ এখানে পার্ট-মার্কিং থাকে৷
- তিন নম্বরের প্রশ্ন দু-নম্বরে চলে এলে সেটা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে৷
- একবারে দুর্বল অংশকে মাথা থেকে এক্কেবারে বাদ দিয়ে দিলে ভালো হয়৷
- এক নম্বরের অবজেক্টিভে রাফ করার প্রয়োজন নেই৷
- জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি আর পরিমিতির বিদ্যার্জনে কনসেপ্ট পরিষ্কার না থাকলে অসুবিধা৷
- উপপাদ্য লেখার ক্ষেত্রে অকারণ বেশি উপবিভাগের কোনও প্রয়োজন নেই৷ অভ্যাস করার সময়ে ছবির নাম বদলে অভ্যাস করলে আর লেখার সময়ে ফুল হওয়ার অবকাশ থাকে না৷ ছবি পেন্সিল , স্কেল , কম্পাস দিয়ে পরিচ্ছন্ন করে আঁক৷ ডাবল লাইন কোথাও কোনওভাবেই বাঞ্ছনীয় নয়৷
- সম্পাদ্য অঙ্কনের সময়ে যে পেন্সিল ব্যবহার করবে তা যেন অত্যন্ত সূঁচালো হয়৷ ছবি যেন মোছা না হয়৷ বৃত্তচাপ অঙ্কনের সময়ে সতর্ক থাক , একচুল মাপের এদিক -ওদিক হলে যা চাওয়া হয়েছে তা না মিলতেও পারে৷ এক বিন্দু থেকে অপর বিন্দু-কে রেখাংশ দ্বারা যুক্ত করার সময়ে খুব সচেতন হও৷ ছবির যে সমস্ত অংশ অনাবশ্যক, সেই অংশগুলোর নামকরণের প্রয়োজন নেই৷ বাকিটার নামকরণ কিন্তু আবশ্যিক৷
প্রশ্নপত্রের দুটি ভাগ-
এম-সি-কিউ আর বড় প্রশ্ন৷ শুধু এমসিকিউতেই থাকে আস্ত ৩৬ নম্বর, যার মধ্যে ১৬ নম্বর এক নম্বরের প্রশ্ন, আর বাকি ২০ নম্বর তাহকে দুই নম্বরের প্রশ্ন৷ বাকি বড় প্রশ্ন থাকে ৫৪ নম্বরের৷ মোট ৯০ নম্বর, এক নম্বরের প্রশ্নের ভাগ (মোট ১৬ ), দুই নম্বরের প্রশ্নের ভাগ (মোট ২০ ), বাকি ৫৪ নম্বরের ভাগ পাটিগণিত থাকবে ৩,২, ৫ বীজগণিতে ৪, ৪, ৯৷ জ্যামিতি ৩, ৪, ১৩ (৩ +৫ +৫ ) পরিমিতি ২, ৪, ৮ ত্রিকোণমিতি ২, ৪, ১১ রাশিবিজ্ঞান ২, ২, ৮৷
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন