‘মানিক’ নয়, ‘হিরা’ ছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়ন সম্ভব নয়, সোনামুড়ায় মোদী - Aaj Bikel
‘মানিক’ নয়, ‘হিরা’ ছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়ন সম্ভব নয়, সোনামুড়ায় মোদী

‘মানিক’ নয়, ‘হিরা’ ছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়ন সম্ভব নয়, সোনামুড়ায় মোদী

Share This

সোনামুড়া   : ত্ৰিপুরায় ‘মাণিক’ নয়, ‘হীর’র প্ৰয়োজন। তর্জমা করলে হিরা (HIRA)-র মানে এইচ-হাইওয়েজ, আই-ওয়েজ, আর-রোডওয়েজ এবং এ-এয়ারওয়েজ। ত্ৰিপুরার সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া মহকুমার সদরে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এভাবেই শুরু করেন তাঁর নির্বাচনী ভাষণ।

ত্রিপুরা নামেরও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। বলেন, তিনটি ‘টি’ শব্দ নিয়ে ত্রিপুরা এসেছেন তিনি। সেই তিন টি-এর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, এক টি-এর অর্থ' হল ট্রেড, দ্বিতীয় টি-এর অর্থ টুরিজম এবং তৃতীয় টি-এর অর্থ ট্রেনিং। ত্রিপুরার মানুষ ভুল করে ‘মানিক’ পরে নিয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত এই মানিক খুলে ফেলা না হবে, ততক্ষণ ত্রিপুরার ভাগ্য পরিবর্তন হবে না। তাই প্রধানমন্ত্রীও ‘চলো পাল্টাই’-এর ডাক দিয়েছেন সোনামুড়ার নির্বাচনী মঞ্চ থেকে।
ভিড়ে ঠাসা জমায়েতে মোদী বলেন, ত্ৰিপুরায় সরকার গঠন করে সর্বপ্রথম সপ্তম বেতন কমিশন চালু করবে। এই রাজ্যকে দুর্বল করে রাখতে বামশাসকরা এখনও চতুর্থ বেতন কমিশনে আটকে রয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের নাগরিকরা যে নিরিখে বেতন পাচ্ছেন সেই হারে ত্রিপুরার মানুষকেও পেতে হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের সিপিএম সরকারকে সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদী বলেন, ত্ৰিপুর উন্নয়ন সমাগত। এতদিন উন্নয়নের যাবতীয় পথ বন্ধ করে রেখেছিল মানিক সরকার নেৃত্বাধীন বামশাসকরা। অতএব রাজ্যের সৰ্বাঙ্গীন বিকাশের জন্য সকল বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্ৰধানমন্ত্ৰী। বলেন, এই নির্বাচনে বিজেপি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না, বামেদের সঙ্গে লড়াই আমজনতার। ভোট লড়ছেন জনসাধারণ, সিপিএম-এর বিরুদ্ধে।

প্রধানমন্ত্রী আজকের সমাবেশে আগত জনতাকে ধন্যাবাদ দিয়ে জানান, ত্ৰিপুরার ভাগ্য বদল হলে দেশেও ভাগ্য পরিবর্তন হবে। এবং তা সম্ভব বিজেপির দ্বারা। কেননা, বিজেপিই একমাত্ৰ দল, যার একমাত্র লক্ষ্য বিকাশ।
তাছাড়া ত্ৰিপুরায় উপর্যুপরি হিংসার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে। বলেন, সিপিআইএম সরকার জনতার মধ্যে আতংকের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। প্ৰতিবাদ করলে ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে।

ত্ৰিপুর এখনও অন্ধকারের যুগে বিচরণ করছে। আঁধার থেকে বেরিয়ে এসে জনতাকে বিকাশের শিখরে নিতে হবে। উড়ান প্রকল্পের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিমান পরিষেবার প্ৰসারণ ঘটানো হচ্ছে। এর দ্বারা ত্ৰিপুরাও উপকৃত হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

চিটফান্ড রোজভ্যালি প্রসঙ্গে বলেন, এর কবলে পড়ে ত্রিপুরার মানুষ আত্মহত্যা করছেন। বাম সরকারের বদৌলতে এরা গরিব-দুখিদের ভাঁড়ার লুটছে। এতে লাভ হচ্ছে কার, বামপন্থীদের। স্বভাবসুলভ জিজ্ঞাসা করে উত্তর

কোন মন্তব্য নেই: