প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি জম্মু-কাশ্মীরের দুই লেনের দ্বিমুখী জোজিলা সুড়ঙ্গ নির্মাণ, পরিচালন ও দেখভাল বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে৷ এইসুড়ঙ্গে একইসঙ্গে একটি সমান্তরাল জরুরি নির্গমন সুড়ঙ্গও থাকবে৷ তবে, শ্রীনগর-লেসেকশনে যে অংশটি এনএইচ-১এ –এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, সেই অংশে এই নির্গমন সুড়ঙ্গ থাকবে না৷ প্রকল্পটি ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিওরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন ধাঁচে রূপায়িত হবে৷ এই সুড়ঙ্গ নির্মিত হলে শ্রীনগর, কারগিল ও লে’র মধ্যে সব ঋতুতে যোগাযোগের উপযুক্ত ব্যবস্থা তৈরি হবে৷ এছাড়া, এই অঞ্চলে এটি সার্বিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অখন্ডতার ক্ষেত্রে অনুঘটকের কাজ করবে৷ এই প্রকল্পের আর্থ-সামাজিক ছাড়াও কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে৷ প্রকল্পটি জম্মু ও কাশ্মীরের অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলির উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেবে৷
প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য –
নির্মাণ কাজ শুরুর প্রথম দিন থেকে ৭ বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে৷
মূল প্রকল্পটি নির্মাণের জন্য মোট ৪৮৯৯.৪২ কোটি টাকা ব্যয় হবে৷
প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮০৮.৬৯ কোটি টাকা৷ এই ব্যয়ের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ, ভূমিচ্যুতদের পুনঃস্থাপন ও পুনর্বাসন ও অন্যান্য নির্মাণপূর্ব কাজের হিসাব ধরা হয়েছে৷ এছাড়াও, নির্মাণের পর সুড়ঙ্গটি ব্যবহার এবং তা দেখভালের জন্য চার বছরের ব্যয়ের হিসাবও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে৷
এই প্রকল্পটিতে দুই লেনের দ্বিমুখী ১৪.১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গপথ নির্মাণের কথা ভাবা হয়েছে৷ এর সমান্তরালে ১৪.২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি জরুরি নির্গমন সুড়ঙ্গ নির্মাণের কথাও স্থির হয়েছে৷ তবে, জম্মু ও কাশ্মীরের বালতাল ও মিনামার্গের মধ্যে সুড়ঙ্গটির যোগাযোগ স্থলে সমান্তরাল সুড়ঙ্গ থাকবে না৷
এই সুড়ঙ্গে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য রাস্তা তৈরির কাজ পৃথকভাবে করা হবে৷
কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক জাতীয় মহাসড়ক এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম লিমিটেডের মাধ্যমে এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হবে৷
প্রভাব -
এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হ’ল – জম্মু ও কাশ্মীরের লে অঞ্চলের সঙ্গে সবঋতুতে যোগাযোগের উপযুক্ত একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা৷ কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলের সঙ্গে বরফ এবং তুষারধসের জন্য বছরে খুব জোর ছ’মাস যোগাযোগ রাখা যায়৷
গগনগির এলাকায় ৬.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জেড মোড় সুড়ঙ্গের পাশাপাশি জোজিলা সুড়ঙ্গের এই প্রকল্পটি রূপায়িত হলে কাশ্মীর ও লাদাখ-এর মধ্যে নিরাপদ, দ্রুত এবং কম ব্যয়বহুল যোগাযোগ গড়ে উঠবে৷
প্রকল্পটি রূপায়ণের কাজে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বৃদ্ধিপাবে৷
প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হওয়ার পর যেহেতু, স্থানীয় ব্যবসার সঙ্গে জাতীয় বাজারের যোগাযোগ গড়ে উঠবে, তাই এরফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির এক বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে৷ এছাড়া, সারা বছর ধরেই এই অঞ্চলে পর্যটকদের যাওয়া-আসার সম্ভাবনাও বাড়বে৷ এই দুটি ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে৷
প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য –
নির্মাণ কাজ শুরুর প্রথম দিন থেকে ৭ বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে৷
মূল প্রকল্পটি নির্মাণের জন্য মোট ৪৮৯৯.৪২ কোটি টাকা ব্যয় হবে৷
প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮০৮.৬৯ কোটি টাকা৷ এই ব্যয়ের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ, ভূমিচ্যুতদের পুনঃস্থাপন ও পুনর্বাসন ও অন্যান্য নির্মাণপূর্ব কাজের হিসাব ধরা হয়েছে৷ এছাড়াও, নির্মাণের পর সুড়ঙ্গটি ব্যবহার এবং তা দেখভালের জন্য চার বছরের ব্যয়ের হিসাবও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে৷
এই প্রকল্পটিতে দুই লেনের দ্বিমুখী ১৪.১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গপথ নির্মাণের কথা ভাবা হয়েছে৷ এর সমান্তরালে ১৪.২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি জরুরি নির্গমন সুড়ঙ্গ নির্মাণের কথাও স্থির হয়েছে৷ তবে, জম্মু ও কাশ্মীরের বালতাল ও মিনামার্গের মধ্যে সুড়ঙ্গটির যোগাযোগ স্থলে সমান্তরাল সুড়ঙ্গ থাকবে না৷
এই সুড়ঙ্গে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য রাস্তা তৈরির কাজ পৃথকভাবে করা হবে৷
কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক জাতীয় মহাসড়ক এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম লিমিটেডের মাধ্যমে এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হবে৷
প্রভাব -
এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হ’ল – জম্মু ও কাশ্মীরের লে অঞ্চলের সঙ্গে সবঋতুতে যোগাযোগের উপযুক্ত একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা৷ কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলের সঙ্গে বরফ এবং তুষারধসের জন্য বছরে খুব জোর ছ’মাস যোগাযোগ রাখা যায়৷
গগনগির এলাকায় ৬.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জেড মোড় সুড়ঙ্গের পাশাপাশি জোজিলা সুড়ঙ্গের এই প্রকল্পটি রূপায়িত হলে কাশ্মীর ও লাদাখ-এর মধ্যে নিরাপদ, দ্রুত এবং কম ব্যয়বহুল যোগাযোগ গড়ে উঠবে৷
প্রকল্পটি রূপায়ণের কাজে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বৃদ্ধিপাবে৷
প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হওয়ার পর যেহেতু, স্থানীয় ব্যবসার সঙ্গে জাতীয় বাজারের যোগাযোগ গড়ে উঠবে, তাই এরফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির এক বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে৷ এছাড়া, সারা বছর ধরেই এই অঞ্চলে পর্যটকদের যাওয়া-আসার সম্ভাবনাও বাড়বে৷ এই দুটি ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে৷
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন