আজ বিকেল: হাইকোর্টের নির্দেশ ‘অবমাননা’র ও তথ্য জানার অধিকারকে পাত্তা না দেওয়ার অভিযোগে খোদ ডিপিএসসি চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা ঠুকতে চলেছে প্রাথমিকে চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ৷
শিক্ষা ও চাকরির বাজারে সমস্ত আপডেট জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন৷
অভিযোগ, মালদহ জেলা ডিপিএসসি চেয়ারম্যান আশিস কুণ্ডু হাইকোর্টের রায় অবমাননা কছেন৷ এমনকী, টেট চাকরিপ্রার্থীদের আরটিআইয়ের উত্তরও ‘ঠিকঠাক’ দেননি তিনি৷ মূলত এই অভিযোগ তুলে ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি প্রার্থীদের একাংশ চেয়ারম্যানের গ্রেফতারির দাবি জানিয়ে কয়েকদিনের মধ্যে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চলেছে৷
এই সংক্রান্ত খবর- ‘হাইকোর্টের নির্দেশ থাকলেও উপর থেকে কাঠি না নাড়লে শিক্ষক নিয়োগ হবে না’
চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, ২০০৯ সালে রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক পদে বিজ্ঞপ্তি হয়। ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলার নিয়োগের পরীক্ষা ও নিয়োগ হয়ে গেলেও চার জেলায় (মালদহ, দু’ই ২৪ পরগনা ও হাওড়া) নিয়োগ স্থগিত ছিল৷ ২০১২ সালে ব্যাপক টোকাটুকির অভিযোগে রাজ্য সরকার ওই পরীক্ষা বাতিল করে৷ কিছু পরীক্ষার্থীর মামলার জেরে ২০১৪ সালে হাওড়া জেলার চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা ও নিয়োগ করা হয়৷ ২০১৪ সালে মালদহ জেলায় পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়৷ লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ও ইন্টার্ভিউ শেষ হয় গত ১১ জুন ২০১৫ সালে৷ প্যানেল পর্ষদে অনুমোদিতও হয়৷
টেট সংক্রান্ত সমস্ত খবর পড়ুন এই লিঙ্কে
অভিযোগ, প্যানেল পর্ষদে অনুমোদন দেওয়া হলেও মালদহ ও দুই পরগনার নিয়োগ এখনও হয়নি৷ গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় সিঙ্গেল বেঞ্চ ১৪ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেন৷ কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও মালদহ জেলার ডিপিএসসি চেয়ারম্যান আশিস কুণ্ডু সেই নির্দেশ পালন করেননি বলে চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ৷
চাকরি সংক্রান্ত খবর জানতে ক্লিক করুন এখানে
চাকরি সংক্রান্ত খবর জানতে ক্লিক করুন এখানে
এই প্রসঙ্গে চাকরিপ্রার্থী ওয়াসিম আকতার বলেন, ‘‘গত ২৫ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে আদালত অবমাননার দায়ে পড়ে মালদহ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিস কুন্ডু৷ হাইকোর্টের নির্দেশ দেয়, পুরানো যোগ্যতা-তালিকা অনুযায়ী সংসদকে ব্যবস্থা করতে হবে৷ হাইকোর্টের নির্দেশে ১৪ দিনের মধ্যে সংসদ ওই তালিকা অনুসারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না করতে পারলে এবার ১৪ দিন পর মালদহ জেলা ডিপিএসসি চেয়ারম্যান আশিস কুণ্ডুকে জেলে যেতে হবে৷ কারণ, আমরা চেয়ারম্যানের গ্রেফতারের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করব৷ কেননা, গত বৃহস্পতিবার আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্তের জোরালো সওয়ালের পর বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই রকমই মনোভাব প্রকাশ করেছেন৷’’
আরও পড়ুন- UGC NET পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন, বদলে যাচ্ছে পুরানো পদ্ধতি
আরও পড়ুন- ক্লাবে মোটা অনুদান, কিন্তু প্রাথমিকে জুটছে না ৪০০ টাকার বেশি বরাদ্দ
আরও পড়ুন- শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ শুরু করেছে কমিশন
আরও পড়ুন- শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ শুরু করেছে কমিশন
আরও পড়ুন- একই পরীক্ষায় পাঁচবার রেজান্ট! চূড়ান্ত বিভ্রান্তিতে পড়ুয়ারা
আরও পড়ুন- রাজ্যে শিক্ষকের অভাব নেই: শিক্ষামন্ত্রী
আরও পড়ুন- বিনামূল্যের টেস্ট পেপার নিতে এত অনীহা কেন?
পড়ুন- গোপনে আন্দোলনকারীদের ছবি তুলল পুলিশ! বিতর্কে লালবাজার (ভিডিও)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন