দুর্গাপুর : হাতের কাছে আরও উচ্চবিদ্যালয় রয়েছে। তবুও পঁচিশ কিলোমিটার দূরে পরীক্ষা সেন্টার। যোগাযোগ ব্যাবস্থা তথৈবচে। সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে না পৌঁছানোর শঙ্কা। ফলে চরম দুঃশ্চিন্তায় পড়েছে পরীক্ষার্থীরা কাছাকাছি পরীক্ষা কেন্দ্র করার করুন অর্তি কাঁকসার অযোধ্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের।
মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হতেই, উচ্চমাধ্যমিকের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে। কাঁকসার অযোধ্যা উচ্চবিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের মনে বিষন্নতার ছাপ। কারন এবারেও বাড়ীর কাছাকাছি সেন্টার হয়নি। প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে পরীক্ষা সেন্টার। কিভাবে যাবে, সময় মতো পৌঁছাতে পারবে কিনা, সেই আশঙ্কা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে। পানাগড়-মোরগ্রাম রাজ্য সড়কের এগারো মাইল মোড় থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার জঙ্গলের ভেতরে অযোধ্যা উচ্চবিদ্যালয়। জঙ্গলমহলের আদিবাসী অধিষ্যুত এলাকায় উচ্চবিদ্যালয়টি। প্রায় ১২০০ ছাত্রছাত্রী রয়েছে ওইস্কুলে। চলতি বছর ১৪৫ জন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রয়েছে। দূরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় দুঃশ্চিন্তায় পড়েছে।
পরীক্ষার্থী মিলন কোড়া, মৌমিতা বিশ্বাস প্রমুখ পড়ুয়ারা জানান," গ্রাম থেকে সেরকম কোন বাস নেই। তিন কিলোমিটার সাইকেলে বাসস্ট্যান্ড গিয়ে সেখান থেকে বাস ধরতে হয়। তাই সময় মতো পরীক্ষাকেন্দ্র না পৌঁছানোর আশঙ্কা থেকেই যায়।" পরীক্ষার্থীদের দাবী কাছাকাছি পিয়ারীগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়। সেখানে যদি সেন্টার হয় ওই দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমবে। তাছাড়াও স্কুল থেকে পরীক্ষার্থী স্পেশাল বাস দিলে খুবই ভাল হয়।" প্রশ্ন উঠেছে কাছাকাছি আরও উচ্চবিদ্যালয় থাকা স্বত্ত্বেও সেখানে কেন সেন্টার দেওয়া হল না?
বিজেপির টিচার সেলের পশ্চিম বর্ধমান জেলা আহ্বায়ক বিকাশ বিশ্বাস জানান," সেন্টার নির্ধারনকারিরা অনভিজ্ঞ। পরীক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা না করে নিজেদের মতো পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারন করে দেয়। যার মাশুল দিতে হয় পরীক্ষারর্থীদের।" অযোধ্যা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক স্বপন গান্ধী জানান," মিটিংয়ে বিষয়টি জানিয়েছিলাম। কাছাকাছি পিয়ারীগঞ্জ স্কুলে পরীক্ষাকেন্দ্র করার আবেদন করেছিলাম। সেখানে সেন্টার পড়লে পড়ুয়াদের সুবিধা হয়। কিন্তু কেন হয়নি, জানা নেই।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন