অবাধ নির্বাচন করতে কমিশনের বিশেষ ব্যবস্থা - Aaj Bikel
অবাধ নির্বাচন করতে কমিশনের বিশেষ ব্যবস্থা

অবাধ নির্বাচন করতে কমিশনের বিশেষ ব্যবস্থা

Share This

আগরতলা: বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে আইটিবিপি-র মহানির্দেশক দায়িত্ব নেওয়ার পর নিশ্চিন্তে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। যদিও বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বেশ কিছু এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।


মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক শ্রীরাম তরণীকান্ত বলেন, নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা৷ সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভীতি কিংবা ধমকের কোনও স্থান নেই৷ প্রয়োজন হলে পুলিশ কিংবা কমিশনকে জানাতে পারেন ভোটাররা।

নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্য পুলিশকে সহায়তা করতে এবং প্রয়োজনীয় উপদেশ দিতে দায়িত্ব নিয়েছেন ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশের মহানির্দেশক আরকে পঞ্চনন্দা৷ পদাধিকার বলে ত্রিপুরা পুলিশের মহানির্দেশকের অনেক সিনিয়র এবং উচ্চপদে রয়েছেন তিনি৷ এখন পঞ্চনন্দার পরামর্শেই রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজ করতে হবে। ইতিমধ্যে রাজ্যের নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বভার কার্যত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাবাহিনীর হাতেই উঠে এসেছে৷

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মোট বুথ কেন্দ্রের সাত শতাংশকে সংবেদনশীল এবং বাকি বুথের মধ্যে এক তৃতীয়াংশকে জটিল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ শনিবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্ভয়ে সর্বত্র ঘোরাফেরা করার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক৷ প্রয়োজনে তাঁদের নিরাপত্তায় আরও পুলিশ দেওয়া হবে।

বিধানসভা নির্বাচনে যাতে ভুয়ো ভোটারদের আটকানো যায় তার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান৷ তবে এই ভুয়ো ভোটারের সংখ্যা ২ থেকে ৩ শতাংশের মতো হতে পারে বলে অনুমান৷ তাদের ভোটদানের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান৷ নির্বাচন সম্পর্কে কোনও গুজব ছড়ানো হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক৷

এদিকে বিধানসভার ভোট প্রক্রিয়া চলাকালীন উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার জন্য ত্রিপুরা রাজ্যে এই প্রথম এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রাখা হচ্ছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত সরকারি কর্মচারী এবং নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য এই প্রথম ত্রিপুরায় এমন ব্যবস্থা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাখা হচ্ছে দুটি হেলিকপ্টারও।

ত্রিপুরায় নির্বাচনের কাজে ৩০ হাজারের বেশি সরকারি কর্মচারী যুক্ত থাকবেন। প্রায় ৩৭০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী থাকবে নির্বাচনে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে।সারা রাজ্যের ৪৭টি মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ভোটকেন্দ্র রাখা হয়েছে। সেখানে মাইক্রো অবজারভাররাও মহিলা। তবে মহিলা সুরক্ষা কর্মীদের সঙ্গে কিছু পুরুষ রক্ষীও দেওয়া হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই: