সুনীল কুমার রায়: ইছামতী নদীর উৎসমুখ চিরকালের জন্য হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম দৃষ্টান্ত এই সেতু৷ ১৮৫৬-৫৭ সালে সেই সময়কার রেল কোম্পানি শিয়ালদহ থেকে ঈশাদি রেল পথ নির্মাণ করে৷ তখনই ইছামতী নদীর উপর তৈরি হয় এই সেতু৷
আমাদের অহংকারের অন্যতম প্রতিবন্ধ। মাজদিয়ার কাছে তখন ইছামতী খুব তীব্র আকার ধারণ করত৷ সেই কারণে এর গতিপথ নিয়ন্ত্রণে এই তিন নদীর মিলনস্থলে কৃষ্ণগঞ্জের দিকে মার্জিন ওয়াল তৈরি করে৷ এখানে ইছামতীর ভাটিতে আনুমানিক ১৫০০ ফুট পাকা সেতু নির্মাণ করে এই নদীর অন্তিম যাত্রা শুরু করে৷ চারটি স্পানে পাঁচটি কামরা এবং বিয়ালসা দিয়ে সেতুটি মজবুত করে বিনিময়ে নদীর মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেয়।
মানুষের সৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা, অমানবিক দূষণে ইছামতী আজ ইতিহাসের পথে৷
![]() |
| অবহেলিত ইছামতী৷ |
![]() |
| দূষণের গ্রাসে... |
![]() |
| ইছামতীর উৎসস্থলে ছুটছে গাড়ি৷ |
![]() |
| ইছামতীর উৎসস্থলে ছুটছে বাইক৷ |




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন