কলকাতা: ফের ডি. লিট পাচ্ছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়৷ এবার তাঁকে ডি লিট দেবে শিবপুর আইআইইএসটি। আগামী ৪ মার্চ সেখানকার সমাবর্তন৷ সূত্রের খবর, সেখানেই তাঁকে এই বিশেষ সম্মান দেওয়া হবে৷ এর আগে, ছ’বার ডি. লিট পেয়েছেন প্রণববাবু৷
উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি তাঁকে ‘সম্মাননাসূচক ডি.লিট’ উপাধিতে ভূষিত করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১১ সালে উলভারহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডক্টর অফ লেটারস ডিগ্রি দেয়। ২০১২ সালের মার্চ মাসে অসম বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্বেশ্বরায়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডি. লিট ডিগ্রি দেয়। ২০১৩ সালের ৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডক্টরেট অফ ল ডিগ্রি দেয়। ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ মরিশাস বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডক্টর অফ ল সম্মান দেয়৷
শিবপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-কে সাধারণ (আইআইইএসটি) ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা ও গবেষণার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটিকে কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৪ সালে জাতীয় গুরুত্বের প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৮৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানের নাম আইআইইএসটি রাখার আগে ছিল ‘বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি (বেসু)৷ এস কে জোশী কমিটির সুপারিশ মেনে বেসু-সহ দেশের ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়কে আইআইইএসটি করার প্রস্তাব দেয় আনন্দ কৃষ্ণন কমিটি৷ তারপর রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রককে বিষয়টি দ্রূত রূপায়ণের অনুরোধ করেন৷
প্রণব মুখোপাধ্যায় একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৮৪ সালে ‘ইউরোমানি’ পত্রিকার সমীক্ষায় তাঁকে ‘বিশ্বের শ্রেষ্ঠ অর্থমন্ত্রী’ বলা হয়েছিল। ২০১০ সালে বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের দৈনিক সংবাদপত্র ‘এমার্জিং মার্কেটস’ তাঁকে 'ফাইনান্স মিনিস্টার অফ দ্য ইয়ার ফর এশিয়া’ পুরস্কার দিয়েছিল। ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে, ‘দ্য ব্যাঙ্কার’ পত্রিকা তাঁকে "ফাইনান্স মিনিস্টার অফ দ্য ইয়ার্স' সম্মান দিয়েছিল। ভারত সরকার ২০০৮ সালে তাঁকে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘পদ্মবিভূষণ’ প্রদান করে। ২০১৩ সালের ৫ মার্চ তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ পান।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন