রাঁচি : ঝাড়খন্ডে ২০১৮-১৯ সালের বাজেটে এবার সরকার কৃষক এবং গ্রামীণ ক্ষেত্রে উন্নয়নের ওপর দেওয়া হয়েছে| ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস মঙ্গলবার জানিয়েছেন, এবারের বাজেটে সরকার গ্রামীণ বিকাশ এবং কৃষির উন্নয়নে বেশি জোর দিয়েছে| এর জন্য গ্রামের অর্থনৈতিক বিকাশের ওপর বেশি জোর দিয়েছে| গ্রামীণ মানুষের জীবন যাত্রা মানোন্নয়ন এবং গরিব কৃষকের জীবন যাত্রার পদ্ধতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে সকলের দায়িত্ব নেওয়া উচিত| এদিনের বাজেট ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী গ্রামীন ও কৃষি বিকাশের ক্ষেত্রে পূর্বের প্রকল্পগুলির সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রকল্প গুলির দিকে তুলে ধরেন| এছাড়াও এদিন তিনি কৃষক ও জমিতে কাজ করা শ্রমিকদের জীবন যাত্রার উন্নয়নের প্রকল্প গুলি ঘোষণা করেন| তিনি বলেন, কৃষক এবং শ্রমিকদের আকস্মিক মৃত্যুতে সরকার তাদের পরিবারকে সাহয্য করবে|
যদি কোনও শ্রমিক বা কৃষককে সাপে কামড়ায় অথবা কুয়ো ধসের কারণে যদি কোনও পরিবারের আকস্মিক বিপদ হয় তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সেই সব পরিবার গুলিকে চার লক্ষ টাকা করে অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে| ইতিমধ্যেই সরকার ‘রাজ্য স্থাপনা দিবস’ অর্থাত গত ১৫ নভেম্বর জোহর প্রকল্পে ১৫০০ কোটি টাকা ধার্য করেছে| এই প্রকল্পের অনুযায়ী দুই লক্ষ গ্রামীণ মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে| এর জন্য ইতিমধ্যেই গ্রামীণ মানুষের কাছে কৃষি উপকরণ এবং হাঁস, মুরগি ও গো-পালনের জন্য সব রকম সাহায্য করা হয়েছে| তাদের উন্নয়নের জন্য কৌশল বিকাশের সঙ্গে জোড়া হয়েছে| মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জোহর প্রকল্পে পিছিয়ে পড়া সিডিউল কাস্ট এবং সিডিউল টাইপ মানুষদের সুযোগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে| এবং এর লাভ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি মহিলারা পাবেন| এছাড়াও, এই বাজেটে দুগ্ধ প্রকল্পে জোর দেওয়া হয়েছে| এর জন্য এনডিডিবি-র সাহায্য নিয়ে রাঁচি, দেওঘর, পলামু, সাহেবগঞ্জ, গিরিডি এবং জামশেদপুরে দুগ্ধ প্রকল্প তৈরী করা হবে| এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রাঁচির উত্পাদন ক্ষমতা এক লক্ষ লিটার হবে| যেখানে অন্য প্রকল্পগুলির ক্ষমতা ৫০ হাজার লিটার হবে|-
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন