মধ্যমগ্রাম : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে অবশেষে সিভিক ভলান্টিয়ারের মারে মৃত সৌমেন দেবনাথের বাড়িতে গেলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রাজ্য সরকার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতেই মূলত দেবনাথ বাড়িতে পৌঁছালেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও স্থানীয় বিধায়ক রথীন ঘোষ।
ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার পর সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বলে মেনে নেন তিনি। না হলে এই ধরনের ঘটনা বারবার সামনে আসবে বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “সিভিক ভলান্টিয়ারদের রাস্তায় মানুষের সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া খুব জরুরি। এই নিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার পুলিশ সুপারের সঙ্গেও কথা হয়েছে।”
রবিবার বেলা ১১টার পর মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান রথীন ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীনগরে সৌমেন দেবনাথের বাড়ি যান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেখানে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে। তারপর বাড়ির বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “অভিযুক্ত যথাযথ শাস্তি পাবে। ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের উচিত ছিল হেলমেটবিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে সৌমেনবাবুকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া। কিন্তু তা না করে সে যে কাজ করেছে তা অপরাধ। এর ফলে মৃতের পরিবার এই মুহূর্তে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। কারণ একমাত্র সৌমেনবাবুই রোজগার করতেন। তাই তাঁর অবর্তমানে কীভাবে পরিবারটিকে সাহায্য করা হবে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর শোনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে নির্দেশ দেন মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। রাজ্য সরকার ওই পরিবারের পাশে আছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে আজ হাজির হন তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, প্রশাসন তাদের কাজ করছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ইতিমধ্যেই ট্র্যাফিক ওসিকে শোকজ করা হয়েছে। এই ঘটনায় যারা যুক্ত তারা প্রত্যেকেই শাস্তি পাবে। তবে রুজিরুটির জন্য সবাই এই প্রফেশনে আসছে। কিন্তু শনিবারের যে ঘটনা ঘটেছে তা কাম্য নয়। ওই ধরনের ব্যবহার করাটা উচিত হয়নি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন