নয়াদিল্লি : কিংবদন্তী স্বাধীনতা সংগ্রামী ও পরাধীন ভারতের মুক্তির অগ্রদূত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২১ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সোশ্যাল মিডিয়া ট্যুইটারে এক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন বার্তায় রাষ্ট্রপতি ট্যুইট করে লেখেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই। তিনি আমাদের সব চাইতে প্রিয় জাতীয় নায়কদের অন্যতম এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন আইকন|।
নেতাজির জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, নেতাজির বীরত্ব প্রত্যেক ভারতবাসীকে গর্বিত করেছে। এই সুমহান ব্যক্তিত্বের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে তাঁকে অবনত শীরে শ্রদ্ধা জানাই। প্রধানমন্ত্রী নিজের লেখা ট্যুইটারের সঙ্গে একটি ভিডিও পোস্ট করেন|
জাতীয় কংগ্রেসের তরফ থেকেও নেতাজিকে এদিন শ্রদ্ধা জানানো হয়। দলের পক্ষ থেকেএক ট্যুইট বার্তায় লেখা হয়, সুভাষচন্দ্র বসু যাকে ভালবেসে নেতাজি হিসেবে সম্বোধন করা হয়। তিনি একজন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে ১৯৩৮ এবং ১৯৩৯ দেশকে সেবা করেন। কংগ্রেসের পাশাপাশি বিজেপির তরফ থেকে নেতাজির জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলা হয়, প্রগতিশীল এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে তাঁর জন্মদিনে কুর্নিশ জানাই।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক ট্যুইট বার্তায় জানায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।
অন্যদিকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্রকুমার বসু কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রীকে একটি খোলা চিঠি লেখে। সেখানে তিনি ২৩ জানুয়ারিকে অর্থাৎ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনটিকে ‘দেশপ্রেম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য অনুরোধ করেছেন। উল্লেখ্য, ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৩৮ এবং ১৯৩৯ সালে কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। পরে কংগ্রেস ছেড়ে ফরওয়ার্ড ব্লক দল গঠন করেন। জাপানে গিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করে ব্রিটিশ বিরোধী লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। তাঁর অন্তর্ধান আজও রহস্যে ঘেরা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন