করিমগঞ্জ : এক নম্বর করিমগঞ্জ সংরক্ষিত লোকসভা আসনের দুবারের সাংসদ, রাজ্য মন্ত্রিসভার একবারের সদস্য নেপালচন্দ্র দাসের জীবনাবসান ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬তা ৩০ মিনিটে পাঁচগ্রামে নিজের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন নেপাল দাস। দুই ছেলে, তিন মেয়ে এবং বহু গুণমুগ্ধকে ছেড়ে গেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। পরিবার সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন নেপাল দাস।
এদিকে প্রাক্তন সাংসদ নেপালচন্দ্র দাসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন করিমগঞ্জ হাইলাকান্দি জেলা কংগ্রেসের সকল পদাধিকারীবর্গ। প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম রায়, করিমগঞ্জ জেলা কংগ্রেস সভাপতি সতু রায় থেকে শুরু করে এআইইউডিএফ সুপ্রিমো সাংসদ মৌলানা বদরুদ্দিন আজমল, সাংসদ রাধেশ্যাম বিশ্বাস, বিধায়ক নিজামউদ্দিন চৌধুরী, কাছাড় জেলা এআইইউডিএফের মুখপাত্র মৌলানা এনামুল্লাহ, করিমগঞ্জ জেলা এআইইউডিএফ সভাপতি আজিজুর রহমান তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আব্দুল হেকিম চৌধুরী, এআইইউডিএফের করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দি ও কাছাড় তিন জেলার প্রচার ও জনসংযোগ বিভাগের সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে এজেডএম ইকবাল খান, আব্দুল মালিক চৌধুরী, সাবির আহমদ লস্কর। প্রত্যেকেই নেপালচন্দ্র দাসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন নেপালচন্দ্র দাসের প্রয়াণে সমাজের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন হয়েছে। তাঁরা প্রয়াতের পরিবারের প্রতিও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনে কংগ্রেসি নেপালচন্দ্র দাস একবারের বিধায়ক (১৯৭৮-৮৩), একবার অসমের মন্ত্রী এবং দু-বার যথাক্রমে ১৯৯৮ এবং ১৯৯৯ সালে করিমগঞ্জ সংরক্ষিত লোকসভা আসনে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রয়াত নেপালচন্দ্র দাস। রাজনৈতিক দল হিসেবে কংগ্রেসের হলেও কিছুদিন তিনি এআইইউডিএফেও ছিলেন। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি এআইইউডিএফের প্রার্থীপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু আইনজীবী রাজেশ মালাহ এআইইউডিএফের টিকিট ছিনিয়ে নেওয়ায় তিনি প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম রায়ের হাত ধরে কংগ্রেসে চলে যান।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন