পায়ে পায়ে ১০০ পূর্ণ করল বসু পরিবারের ঐতিহ্যের গ্রন্থাগার - Aaj Bikel
পায়ে পায়ে ১০০ পূর্ণ করল বসু পরিবারের ঐতিহ্যের গ্রন্থাগার

পায়ে পায়ে ১০০ পূর্ণ করল বসু পরিবারের ঐতিহ্যের গ্রন্থাগার

Share This


কোদালিয়া : জঙ্গল কেটে উপনিবেশ তৈরী হচ্ছে৷ ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করবে কি করে? বসু পরিবারের উদ্যোগে তৈরী হল গ্রন্থাগার, স্কুল৷ পায়ে পায়ে সেই গ্রন্থাগার পূর্ণ করল শতবর্ষ৷ বুধবার সেই অনুষ্ঠান উপলক্ষে হবে একাধিক আলোচনাসভা ৷

কোদালিয়ায় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ঠাকুর্দা হরনাথ বসুর তৈরি গ্রন্থাগারের নাম প্রথমে ছিল বীনাপানি গ্রন্থাগার ৷ বিদ্যাদেবীর আর এক নাম বীনাপানি ৷ শ্বেতপাথরের ফলকে একদম ওপরে দুই আজীবন সদস্য অমিয় নাথ বসু ও দ্বীজেন্দ্র নাথ বসু৷ তালিকায় লেখা আরও ১৬ জনের নাম ৷ ১৩ নম্বরে রাজকাপুরের নাম ৷
বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার ৷ সদস্য সাড়ে পাঁচ হাজারের ওপর৷ এই তথ্য জানিয়ে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা গ্রন্থাগারের সম্পাদক ডা: পল্লব দাস ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-কে বলেন, ওই জমি এবং বাড়ির একতলা করে দান করেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ঠাকুর্দা হরনাথ বসু৷ পরবর্তীকালে গ্রন্থাগারটির নাম রাখা হয় হরনাথ বীনাপানি গ্রন্থাগার৷ খোলা থাকার কথা ১২ টা থেকে ৭ টা৷ সরকারী ছুটির দিন এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার বন্ধ৷ ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ওখানে শুরু হচ্ছে কম্পিউটার পরিষেবা৷

গ্রন্থাগারের পাশেই তৈরী হয়েছে নেতাজি কৃষ্টি কেন্দ্র৷ এরও সম্পাদক পল্লব দাস৷ তৈরি হয়েছে একটি সংগ্রহশালা৷ তাতে তিন ঘনফুট মাপের কাঠের ফ্রেমে ২০ টি বাক্স৷ নেতাজীর জীবনের ২০ টি গুরুত্বপূর্ন বিষয় তাতে তুলে ধরা হয়েছে মডেলের মাধ্যমে৷ যেমন: কটকে ছাত্রাবস্থায় ক্ষুদিরামের ফাঁসির দিন সকালে অনশন, প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক ওটেন সাহেবের ভারতীয়দের প্রতি অপমানকর মন্তব্যের প্রতিবাদে ছাত্রদের নেতৃত্বদান, আইসিএস থেকে পদত্যাগ, ভরতে ফিরে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের পর গান্ধীজির সঙ্গে, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে, বেঙ্গল অর্ডিনেন্সে ধৃত হয়ে মালদা জেলে (সঙ্গী হরিকুমার চক্রবর্তী ও বিপিন বিহারী গাঙ্গুলি) প্রভৃতি৷ কালানুযায়ী সাজানো মডেল৷ কিন্তু শিল্পের মান বেশ নিচু৷ পল্লব দাস বলেন, “চিন্তামনি করকে দিয়ে ওই মডেলগুলি করানোর কথা ভেবেছিলাম৷ তাঁর প্রয়াণের পর টালিগঞ্জের এক শিল্পীকে দিয়ে এগুলি করিয়েছি৷ তাঁর ষ্টুডিওতে গিয়ে শিল্পকর্ম দেখে এসেছিলাম৷ আমাদের আস্থা ছিল৷ এ রকম হবে, অতটা বুঝিনি৷ ভবিষ্যতে এটার মানোন্নয়নে নিশ্চয়ই নজর দেব৷”
নেতাজি কৃষ্টি কেন্দ্র ও গ্রন্থাগারের উদ্যোগে নেতাজীর জন্মসময় উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার হয়ে গেল ব্যান্ডবাজন ৷ হল বসে আঁক প্রতিযোগিতা, শীতবস্ত্র প্রদান, সমবেত আবৃত্তি ‘চির উন্নত মম শির’

কোন মন্তব্য নেই: